Posts

Showing posts from April, 2025

কথা ভালোবাসার ইংগিত

 ভালোবাসার মানে? ভালোবাসার ডেফিনেশন প্রত্যেকটা মানুষের কাছে আলাদা হতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় ভালোবাসলে নিয়ম করে কথা বলার প্রয়োজন নেই, দেখা করার প্রয়োজন নেই কিংবা মানুষটাকে সময় দেয়ার প্রয়োজন নেই। এমন মনে করে থাকলে আপনি একজন মানুষ হিসেবে অন্য একজন মানুষকে ঠকাবেন। সম্পর্ক আর ভালোবাসা পার্থক্য কি সম্পর্ক এবং ভালোবাসা, দুটোর মধ্যে তফাত অনেক। আপনি কারো সাথে সম্পর্কে আছেন বলেই যে তাকে ভালোবাসেন, এমন নয়। সম্পর্কে ভালোবাসা তৈরি হয় কথার মাধ্যমে। আর সম্পর্কে থাকা মানুষটাকে যদি শুনতে না চান, তাকে বলতে না চান, তবে তাকে আর ভালোবাসেন কই?যদি মনে করেন ৩ বেলা খাওয়ার দায়িত্ব আর ভরনপোষণ মানে ভালো বাসা আপনি ভুলের মধ্যে আছেন। যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে দেখেন কাজের লোক,,এতিম, অনাথ এদেরও কেউনা কেউ ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়।তাইবলে তারা ভালোবাসার মানুষ হতে পারে না।তারা কেবল সম্পর্কের মানুষ। মানুষ সহজাত প্রবৃত্তির কোনো মানুষই বোবার মতো হয়ে থাকতে পারে না, থাকতে চায় না। আর যদি আপনি সম্পর্কের মানুষটার সাথে কথা না বলে দিনের পর দিন নির্বিঘ্নে থাকতে পারেন, তবে নিশ্চিত ভাবে সে ছাড়াও আপনার কথা শোনার বা বলার মতো অপ...

প্রবাসী কে মেয়ে বিয়ে দিবেন ভাবছেন?

 প্রবাসী ছেলে প্রবাসী অনেক টাকা ইনকাম করে মেয়েকে সুখে রাখবে তাই মেয়ে বিয়ে দেওয়ার জন্য চিন্তা করছেন?ভালো করে ভেবে চিনতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেনতো?আর যদি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন তাহলে নিচে দেওয়া শর্ত বা সিদ্ধান্ত গুলো আগেই মেনে নিন। শর্ত বা সিদ্ধান্ত সমুহ √ মেয়ের প্রতি বিয়ের আগে যেমন সব  দায়িত্ব পালন করে আসছেন মেয়ের অভিভাবক হিসেবে ঠিক বিয়ের পরও সে দায়িত্ব পালন করে আসতে হবে।ভেবে নিয়েন না বিয়ের পর মেয়ে একজন অভিভাবক পেয়েছে। একজন সুখদুঃখ এর জীবন সংগী পেয়েছে।  √ মনে রাখবেন আপনার মেয়ে শুধু মাত্র  তার জীবনের অবিবাহিত  লেভেল তুলে বিবাহিত লেভেল পেয়েছে।   √আরও মনে রাখবেন যদি মনে করেন আপনার মেয়ের দায়িত্ব নিয়েছে একজন অভিভাবক হিসেবে   তাহলে ভুল ধারণা আপনার। অভিভাবক সেই হয়, যে সব কিছু থেকেই আগলে রাখে। প্রবাসী তো শুধু একজন মেয়ের খরচের দায়িত্বে পালন করবে। সে কী সেভাবে আগলে রাখতে পারবে? কারণ সে হল ২ মাসের অতিথি।  √  আর সুখ আর দুঃখের সাথী কাকে বলে মনে করেন? যে সারা বছর সুখে, দুখে, ভালো, খারাপ, আবেগ, অনুভূতি এমনকি মৃত্যুর সময় পর্যন্ত যে থাকেনা সেই?  যে ২৪ ঘন্টা...

একজন মেয়ে ঠিক তখনই দূরে সরে যায়!

 মেয়েটা মনে মনে নিজের সাথে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে যায়।সে অন্যের কথায় ধার ধারে না।কারো প্রতি সহানুভূতি শীল হয় না।কারণ সে বার বার মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছে,বার বার তার প্রিয় ব্যক্তির প্রতি দুর্বলতা দেখিয়েছেন, বার বার তার মায়া, মমতা, ভালোবাসা দিয়ে বুঝাতে চেয়েছে  তার কাছে তার প্রিয় মানুষের সময় টাই সবকিছু।   প্রথম ধাপ প্রথম প্রথম তার স্বামী নামক মানুষটা তার প্রতি উদাসিনতা,ব্যস্ততার অযুহাত , দায়িত্ব হীনমন্যতা বুঝতে পারছ। তোমার প্রতি রাগ, অভিমান করে।জানঅতো সেই রাগ,অভিমান তখন তোমার কাছে মনে হয়েছে একধরনের ন্যাকামি করা।তুমি তাকে বলেও দিয়েছিলে ন্যাকামি করছ কেন।তখন সে বুঝতে পারে এই মানুষের কাছে তার রাগ,অভিমানের বালাই মাত্র নেই।তাই সে আপনার প্রতি তার ন্যাকামি করা বাদ দিয়েছে দ্বিতীয় ধাপ ধীরে ধীরে আরও বেড়ে গেল সেই সম্পর্ক টা হাস্পাস ভাব নিল।তখন আগের মত রাগ অভিমান করে না।তার প্রতি অভিযোগের বাক্স তৈরি করে। কিন্তু তার অভিযোগ তার স্বামীর কাছে মনে হল বাড়তি প্যাচাল পারা।তাই সেই বাড়তি প্যাচাল পারা টাও বন্ধ করে দিল। নিস্তব্ধতাই দিন পার করতে শুরু করল।তার  তারপর থেকে  সে ত...