প্রবাসী কে মেয়ে বিয়ে দিবেন ভাবছেন?
প্রবাসী ছেলে
প্রবাসী অনেক টাকা ইনকাম করে মেয়েকে সুখে রাখবে তাই মেয়ে বিয়ে দেওয়ার জন্য চিন্তা করছেন?ভালো করে ভেবে চিনতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেনতো?আর যদি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন তাহলে নিচে দেওয়া শর্ত বা সিদ্ধান্ত গুলো আগেই মেনে নিন।
শর্ত বা সিদ্ধান্ত সমুহ
√ মেয়ের প্রতি বিয়ের আগে যেমন সব দায়িত্ব পালন করে আসছেন মেয়ের অভিভাবক হিসেবে ঠিক বিয়ের পরও সে দায়িত্ব পালন করে আসতে হবে।ভেবে নিয়েন না বিয়ের পর মেয়ে একজন অভিভাবক পেয়েছে। একজন সুখদুঃখ এর জীবন সংগী পেয়েছে।
√ মনে রাখবেন আপনার মেয়ে শুধু মাত্র তার জীবনের অবিবাহিত লেভেল তুলে বিবাহিত লেভেল পেয়েছে।
√আরও মনে রাখবেন যদি মনে করেন আপনার মেয়ের দায়িত্ব নিয়েছে একজন অভিভাবক হিসেবে তাহলে ভুল ধারণা আপনার। অভিভাবক সেই হয়, যে সব কিছু থেকেই আগলে রাখে। প্রবাসী তো শুধু একজন মেয়ের খরচের দায়িত্বে পালন করবে। সে কী সেভাবে আগলে রাখতে পারবে? কারণ সে হল ২ মাসের অতিথি।
√ আর সুখ আর দুঃখের সাথী কাকে বলে মনে করেন?
যে সারা বছর সুখে, দুখে, ভালো, খারাপ, আবেগ, অনুভূতি এমনকি মৃত্যুর সময় পর্যন্ত যে থাকেনা সেই?
যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২-৫ মিনিট কলে বলবে কেমন আছে?সেই প্রবাসী কে?তাহলে আপনার ধারণা ভুল।
√ যে বসন্তের কোকিলের মত হয় সেই? জানেন আপনার বাড়িতে একজন কাজের বুয়া রাখলে তাকেও তো ৩-৪ হাজার টাকা মাস শেষে দিতে হয়।তাহলে সে কাজের বুয়া কি সে পরিবারের বউ হয়?সেই প্রবাসী ছেলে তার বাড়িতে থাকা সেই মেয়ের মাস শেষে না হয় খরচ টার দায়িত্ব পালন করবে।আর কিছুনা।
দীর্ঘ শ্বাস
√ আপনি কি ভেবে দেখেছেন অন্য মেয়েরা যেমন বিয়ের পর স্বামী নিয়ে ঘুরতে, বেডাতে,একসাথে থাকতে সুখে দুখে একে অপরের পরিপুরক। ঠিক আপনার মেয়ের স্বপ্ন ছিল। আর প্রবাসী ছেলে কে বিয়ে দিলে আপনার মেয়ে নিশ্চয়ই প্রবাসে থাকা স্বামীর কথা ভেবে তার চার পাশে অন্যেদের স্বামীর স্ত্রী সুখ সেগুলো দেখে দীর্ঘ শ্বাস ফেলা ছাড়া কিছু থাকবে না।
√ একজন মেয়ে তার বিবাহিত জীবনে স্বামী, সন্তান নিয়ে সুখি সংসার করতে চাই। সব মেয়ে চাই তার স্বামী তাকে মানসিক সুখ,শারীরিক সুখ। আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার মেয়ে এই সুখ থেকে বঞ্চিত হবে?
√একটু ভেবে দেখেনতো অন্য মেয়েরা ইদে উৎসব অনুষ্ঠানে স্বামী নিয়ে আসে, আনন্দ করে আর আপনার মেয়ে ঘোমরা মুখ করে দীর্ঘ শ্বাস ফেলবে।
√আর বিয়ের পর ১ দিন শারিরীক সম্পর্ক হলেও বাচ্ছা হয়। আমি যে বললাম শারীরিক সুখ পায়না।হয়তো আপনি বলতে পারেন বাচ্চা কিভাবে আসলো শারীরিক সুখ দিতে নাপারলে।দেখেন ১ দিনের কারণে ও বাচ্চা হয়।তাই বলে সে শারীরিক চাহিদা মিটে গেছে?
√ আপনি কি ভেবে দেখেছেন যখন মেয়েরা সন্তান সম্ভাবা হয় তখন অনেক কষ্ট করতে হয়, এই সময় স্বামী নামক মানুষ টাকে কাছে পেতে চাই সাহস পাই। কিন্তু প্রবাসী স্ত্রী তা পায় না, শুধু দীর্ঘ শ্বাস ফেলে।
√ আর একটা কথা ভেবে দেখেছেন যখন বাচ্চার বাবা থাকে তখন সন্তান বাবার সানিধ্য লাভ করে । আর প্রবাসীর সন্তান বাবা থেকেও এতিম হয়ে থাকে।
তখন সেই সন্তান যখন দেখে তার সমবয়সীরা বাবার হাত ধরে দোকানে যায়,বাবার হাত ধরে স্কুলে যায় তখন প্রবাসী ছেলে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে।
√ আপনার মেনে নিতে হবে প্রবাসী ছেলে কে বিয়ে দিয়ে
মেয়ের জীবনে দীর্ঘ শ্বাস ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবেন না।
পরিশেষে বলতে পারি প্রবাসী কে মেয়ে বিয়ে দিয়ে মেয়ের জীবনের আবেগ, অনুভূতি, প্রেম ভালো বাসা,স্বাধ ইচ্ছার আশা,আকাঙ্ক্ষা মৃত্যু হবে।জিন্দা লাশ হয়ে জীবন পরিচালনা করবে।তখন মানতে পারবেন?
Comments
Post a Comment