একজন মেয়ে ঠিক তখনই দূরে সরে যায়!

 মেয়েটা মনে মনে নিজের সাথে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য

হয়ে যায়।সে অন্যের কথায় ধার ধারে না।কারো প্রতি সহানুভূতি শীল হয় না।কারণ সে বার বার মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছে,বার বার তার প্রিয় ব্যক্তির প্রতি দুর্বলতা দেখিয়েছেন, বার বার তার মায়া, মমতা, ভালোবাসা দিয়ে বুঝাতে চেয়েছে  তার কাছে তার প্রিয় মানুষের সময় টাই সবকিছু।  

প্রথম ধাপ

প্রথম প্রথম তার স্বামী নামক মানুষটা তার প্রতি উদাসিনতা,ব্যস্ততার অযুহাত , দায়িত্ব হীনমন্যতা বুঝতে পারছ। তোমার প্রতি রাগ, অভিমান করে।জানঅতো সেই রাগ,অভিমান তখন তোমার কাছে মনে হয়েছে একধরনের ন্যাকামি করা।তুমি তাকে বলেও দিয়েছিলে ন্যাকামি করছ কেন।তখন সে বুঝতে পারে এই মানুষের কাছে তার রাগ,অভিমানের বালাই মাত্র নেই।তাই সে আপনার প্রতি তার ন্যাকামি করা বাদ দিয়েছে

দ্বিতীয় ধাপ

ধীরে ধীরে আরও বেড়ে গেল সেই সম্পর্ক টা হাস্পাস ভাব নিল।তখন আগের মত রাগ অভিমান করে না।তার প্রতি অভিযোগের বাক্স তৈরি করে। কিন্তু তার অভিযোগ তার স্বামীর কাছে মনে হল বাড়তি প্যাচাল পারা।তাই সেই বাড়তি প্যাচাল পারা টাও বন্ধ করে দিল। নিস্তব্ধতাই দিন পার করতে শুরু করল।তার 

তারপর থেকে  সে তাকে আর বলেনা কেন কল দা,ওনা।আমার খোঁজ খবর নাওনা। কারণ সে খুবই ভালো করে বুঝে গেছে যার কাছে বউ রাগ অভিমান ন্যাকামি মনে হয়, অভিযোগ বাড়তি প্যাচাল মনে হয় তার কাছে অন্তত স্ত্রীর প্রতি ক্যায়ার আশা করাটা নিচক বোকামি ছাড়া আর কিছুই না।

তৃতীয় ধাপ

সব কিছুর পর সে বুঝতে শিখেছে তার স্বামীর ব্যস্ততার মধ্যে আছে অন্য জগৎ। সেই জগতে বন্ধু বান্দ্ববীদের আয়াড্ডা।সেইখানে তার স্ত্রীর স্থান নেই।কারন যে ব্যাক্তি তার স্ত্রীকে সময় না দিয়ে বাইরে সময় দেওয়া কে গুরুত্ব দেয় তার কাছে সেই স্ত্রী কিছু আশা করতে পারেনা।

চতুর্থ ধাপ

এখন আর তার স্বামীর প্রতি কোনো অভিমান, অভিযোগ, রাগ ইমোশান কিছুই নেই।একেবারে চুপ হয়ে গেছে। কারণ সে বার বার তার আবেগ, অনুভুতির স্বাদ ইচ্ছার মৃত্যু ঘঠেছে বুঝে নিয়েছে।নিজেকে একাকিত্ব তার গ্লানি থেকে মৃত্যু হতে দেখেছে

দিন শেষে তার আবেগ অনুভূতি, ভালো লাগা, খারাপ লাগা শিয়ার করার মত কাউকে পাইনি।এমনকি বিবাহিত জীবনে সে কেমন আছে তা জিজ্ঞাসা করার মত  কেউ ছিলনা।চোখের জলে নিজেকে সান্তনা দিয়েছিল।

চতুর্থ ধাপ সে নিজেকে প্রস্তুত করেছে

সে বুঝেগেছে জন্ম নিয়েছে একা, আজীবন থাকতে হবে একা।তাই এখন আর স্বামী নামক শব্দের প্রতি কোনো মাথা ব্যাথা নেই।স্বামী ও দ্বিব্বি ভালোই আছে।তার স্ত্রী তাকে আগের মত কিছু বলেনা।

একদিন হঠাৎ করে শুনতে পাবে স্বামী নামক মানুষ টাকে আজীবনের মত ত্যাগ করবে।

আর স্বামি এইটা শুনে হয়তো বা খুবই অভাক হয়ে ভাব্বভাবতে থাকবে।কিছুই তো হলনা।কেন এমন করলোকরলো বা করছে।আসলে আপনার কাছে তখন তখনই মনে হল ভালোই তো ছিল এত দিন।

আরে মশাই আপনি তার মন বুঝতে চেষ্টাই করেন নি।অনেক আগেই সে নিজের কাছে নিজের ভিতরের সেই কোমল হৃদয়ের মানুষটার মৃত্যু দিয়েছে।তাই সে সুখ নামক মরিচিকার পেছনে ছুটা বন্ধ করে দিতে চা

ই।

মানুষ সব কিছু না জেনে হয়তো খারাপ বা ভালো মন্তব্য করতেই পারে।তাতে কি! যেখানে মানসিক সুখ নেই সেখানে কি জীবন পরিচালনা করা যায়?

আপনাদের মতামত কমেন্ট এ জানাবেন প্লিজ

 


Comments

Popular posts from this blog

ভারি বৃষ্টিতে দুর্ভিসহ চট্টগ্রাম এর জন জীবন