বিয়ের আগে জানা উচিত

তোমাকেই বলছি বিয়ে নিয়ে সাবধান  

ও মেয়ে তোমাকেই বলছি

জীবনে বেশি কিছু না। একটু সম্মান,একটু যত্ন,একটু ভালোবাসা এসব কোনোদিন শুধুমাত্র একটা বিয়ে নামক সম্পর্কে পাওয়া যায় না। বিয়ে হলেই পাওয়া যায় না। ভালোবাসা যেখানে রাতে দরজা বন্ধ থেকে শুরু আর বিছানায় শেষ সেটা ভালোবাসা নয়।
তাই জীবনে পুরুষ নির্বাচন করার আগে কঠোর হও, চিন্তা করো,লোভী বা অন্ধ হয়ে যেওনা।

ও মেয়ে মনে রেখো তোমাকে বলছি


জীবন সংগি বেচে নিতে ভুল করোনা।পরিবারকে খুশি করতে বা কারো মন রহ্মাতে বিয়ে করোনা।সবার পছন্দের সাই দিওনা।সবার পছন্দের সাথে তোমা পছন্দের মিল নাও হতে পারে।অন্যরা হয়তো ক্ষনিকের সাময়িক টা ভেবে বা মনে করে পছন্দ করতে পারে।কিন্তু তোমার সারাজীবন পছন্দ করতে হতে হবে। যার সাথে সারাজীবন কাটাতে হবে তার সাথে তোমার বিয়ের আগেই সরাসরি কথা বলে নিয়ে নাও।তোমার পরিবার বলতেই পারে পারে বিয়ের পর কথা বলে নিও।তাতে কখনো মানবে না।মেনে গেলে বুঝে নিও তোমার ইচ্ছা,আকাঙ্ক্ষার অকাল মৃত্যু।


ও মেয়ে বিয়ের আগেই যেনে নাও


ভবিষ্যৎ এ যে তোমার সব কিছুর দায়িত্ব নিবে সেই ছেলে বর্তমানে তার উপার্জনের সোর্স কি?কেমন?ভবিষ্যতে কি দিয়ে জীবন কাটাতে চাই।তবে মনে রেখ, প্রবাসী হলে অবশ্যই জেনে নিবে কি কাজ করে,স্যালারী কেমন,আর কত বছর প্রবাস করবে।তোমার মতের সাথে মিল্ললে ! করো।তবে যে ছেলে ২০-২৫ বছর প্রবাসে থাকে সেই ছেলের কাছে বিয়ে না করাই ভালো। কারণ সেই

ছেলে পরিবার থেকে বাইরে থাকতে থাকতে তার পরিবারের প্রতি কোনো দরদ থাকেনা।তখন সে শারীরিক ভাবেও দুর্বল থাকে।আর্থিক ভাবেও দুর্বল থাকে তার মনমানসিকতা থাকে ভিন্ন।বলতে পারেন যে এতবছর বাইরে থাকে তার আর্থিক অবস্থার দুর্বল থাকার কথা না।হ্যা তবে অনেক বছর পরিবার এর গন্ডির বাইরে থাকায় স্বেচ্ছাধীন জীবন যাপন করে।বাইরের মেয়েদের সাথে ফ্রেন্ড সার্কেল এর সাথে সময় কাঠিয়ে টাকা নষ্ট করে।


ও মেয়ে বলতে পারো বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে

শুনো মেয়ে যারা বলবে ঠিক হয়ে যাবে, তারা কেবলই হ্মনিকের সান্ত্বনা দেই।বাস্তব হ্মেত্রে হয় না।যারা বেপরোয়া চলে লাইফের অর্ধেক সময় তারা কখনো ঠিক হয় না।তাই তারা অনেক বছরের অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেনা।তারা আগের মতই জীবন কাটায়।আর কত বছর সে বাইরে কাটাবে সেটা জেনে নিও।

তবে যে ছেলে বিয়ের আগে কোনো মিথ্যার চলনা না নেই সেই ছেলের সাথেই বিয়ের বিষয় এগিয়ে যাও

ও মেয়ে পরিবার সম্পর্কে জানো

যে ছেলের পরিবারে বড় ভাই বা অভিভাবক থাকার পরও যদি বাইরের কেউ অভিভাবক এর দায়িত্ব পালন করে বিয়ের ক্ষেত্রে অর্থাৎ পরিবারের কেউ তেমন দায়িত্ব নিয়ে করছে না।বুঝে নিবে সেই ছেলের প্রতি এবং সেই পরিবারের লোক কোনো আন্তরিক না।এছাড়া সেই ছেলে পরিবারের কোনো দায়িত্ব পালন করে না।সেই পরিবারে সেই ছেলের কোনো কদর নেই।তার মানে সেই ছেলের স্ত্রী হিসেবে মেয়ে তোমার ও কদর নেই।যে ছেলে পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেনা।সেই ছেলে তোমার দায়িত্ব নিতে পারবেনা।
বিয়ের আগে সামনা সামনি সব কথা ক্লিয়ার করে বিয়ের বিষয়এ আগ বাড়াও।
মানুষ মাত্রই ভুল।আমার ও হয়তো ভুল হতে পারে।তবে বাস্তব অভিজ্ঞতার অলোকে।
আমার মতামত ভুল হলে কমেন্ট করে জানাবেন
অগ্রিম ধন্যবাদ সবাইকে
আসসালামু আলাইকুম




Comments

Popular posts from this blog

ভারি বৃষ্টিতে দুর্ভিসহ চট্টগ্রাম এর জন জীবন