ত্রিশ পেরুনো অভিশপ্ত সময়
ত্রিশ পেরুনো অভিশপ্ত সময়
মেয়েদের জীবনের ৩০ বছর পেরিয়েছে মানে তার জীবন যুদ্ধের সংগ্রামের একটা অধ্যায় শুরু হয়েগেছে।যদি সেই মেয়ে অবিবাহিত হয়।এই কথায় হয়তো অনেকে বলতেছেন এইটা আবার কেমন যুদ্ধ?হা এই সময় টা একরকম যুদ্ধ হ্মেত্র।
শুধু অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করলে যুদ্ধ । তার মধ্যে সমাজের মানুষেরা বুক ফুলিয়ে বলে কিরে মেয়ের তো বিয়ের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে বিয়ে কখন?
যেখানে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে এই তিনটি কেউ ইচ্ছামত করতে পারেনা।শয়ং আল্লাহর রহমত ছাড়া এইটা আমরা সকলে বলে থাকি এবং মেনেও থাকি।
তবুও আমাদের সমাজের মানুষের কাছ থেকে যখন এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় । তখন আর কিছুই বলার থাকেনা।
একটা মানসিক যুদ্ধ হ্মেত্র।
বন্ধু বা বান্ধবিদের সাথে দেখা হলে বলে কিরে তুই বিয়ে কখন করতেছিস?
আমাদেরকে বিয়ে কখন খাওয়াবি?
এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অহরহ। তার পরিবারের
কাছেও একটা সময় বুঝার মত মনে হয়। সেই মেয়ের মনের দিকদিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তখন সেই মেয়ের চাওয়া পাওয়ার কোনো মূল্যায়ন করেনা।
সেই মেয়ের মতামতের কোনো মুল্য দিতে চায় না।তখন সেই মেয়েকে পরিবারের ইচ্ছামত বিয়ে দিয়ে দেয়।বুঝার চেষ্টা করেনা সেই মেয়ের সাথে সেই ছেলের বা সেই ছেলের পরিবারের পরিবেশটা মিলিয়ে নিতে পারবে কিনা।
অর্থাৎ সেই মেয়ের যোগ্যতার মূল্যায়ন হয়না।সেই মেয়ের অনুপযুক্ত ছেলে আর অনুপযুক্ত পরিবেশে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়।
ফলে দুই পরিবারের কিছু যায় আসেনা।তার ফলাফল ভোগ করে সেই মেয়েটা।মেয়েটা স্বামীর সাথে সুখী হতে পারেনা কারণ মতের মিল হয় না।সেই মেয়েরা একধরনের মানসিক ভিশন্নতায় ভুগে।ডিপ্রেশনে চলে যায়।অনেক কষ্ট পায়।
যেখানে মনের খোরাক মিঠেনা না সেখানে দেহের খোরাকেরই জোগান দেওয়ার মানে হয়না।পরিশেষে বলতে চাই বয়সে ভারে নুইয়ে পড়ে যায় আমাদের সমাজ, সংসার । যদি সেই মেয়ে মানিয়ে নিতে না পারলে সংসারের মায়া ত্যাগ করলে তখন সেই সমাজ, সংসার তো একটু খবর নেই না?পারলে আবারও কটু কথা শুনিয়ে দেয়।
এই হল সমাজ সংসার।
Comments
Post a Comment