গুনে ভরা গুনবতি

                  

       গুনে ভরা গুনবতি

আমাদের সমাজ মেয়েদের সব গুন থাকা চায়। মেয়েদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে সব।

রূপে কিভা আসে যায়,গুনে পরিচয়। 

এইটা হল আমাদের তথাকথিত সমাজেরই একটা উক্তি। 

তাই মেয়েরা পড়াশোনা  থেকে শুরু করে গুনবতি হওয়ার আগ্রহী হইয়ে উঠে। মেয়েরা বি,এ পাস এম,এ পাস করতে স্বাভাবিক বয়স হবেই।উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সেই মেয়েদের  হল  দোষ। 


        গুনে ভরা কালোবতি 

আজকাল গুনের মূল্যায়ন হয়না।রূপের মূল্যায়নই হয়।মেয়ের যতই শিক্ষা থাকুক না কেন মেয়েটা কালো।তার মানে সেই মেয়ের থাকতে নেই ইচ্ছা বা  পছন্দ।কারণ কোন পাত্র সেই মেয়েকে পছন্দ করেনা।কেননা মেয়েটা কালো। আর শিক্ষিত হতে সেই মেয়ের বয়স ২৭-২৮ হবে স্বভাবিক.


পাত্রের বাজার 

পাত্রপক্ষ ঃ 
১. মেয়ে শিক্ষিত থাকতে হবে। 
২.লম্বা হতে হবে। 
৩.সুন্দর হতে হবে। 
৪.নামাজি কালামি হতে হবে। 


গুনে ভরা মায়াবতি 


শিক্ষিত, খাটো, ভদ্র সভ্য মার্জিত কালো মেয়ের মধ্যে উপরের লিস্টে লম্বা সুন্দর এই গুণ গুলো নেই।তাই বলে কি মেয়েটার বিয়ের ব্যাপারে কোন অভিমত থাকতে পারেনা?মেয়েটাকে শুনতে হয় কালো খাটো এইসব।তার যোগ্যতার গুনের কোন মূল্যায়ন হবেনা?
শুধু মূল্যায়ন হয় রুপের?
সবকিছুতে এগিয়ে থাকলেও বর্তমানে কালো মেয়েরা বিয়ে নামের অধ্যায়ে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। সবাই কালো বলে উপেক্ষা করে।তাই কালো মেয়েদের বয়স ৩০ পেরিয়ে যায়।


বিয়ের বাজার
 মেয়ে কালো তাই ছেলেকে কয়েক লক্ষ দিয়ে কিনে নিতে হয়।
আর মেয়ে ফর্সা হলে কথায় নেই।শুধু সুন্দরী হলেই হল।
কাবার গিলাফ কালো 
কুরআনের হরফে কালো 
আমরা দেখি যে চোখে আলো
আমাদের সেই চোখ কালো 
তবুও আমরা সুন্দর খুজি    । 

পরিশেষে বলা যায় 
গুনে কিবা আসে যায় 
রুপের রাজ্যে সবাই চাই। 





Comments

Popular posts from this blog

ভারি বৃষ্টিতে দুর্ভিসহ চট্টগ্রাম এর জন জীবন